রবিবার ২৬ এপ্রিল ২০২৬

সম্পূর্ণ খবর

Tollywood News: Bengali actor Rishav Basu talks about Sherlock Holmes and his new movie Saralakkho Holmes

বিনোদন | সরলাক্ষের মধ্যে রবার্ট ডাউনি জুনিয়র-ও আছেন, আবার দেব-ও আছেন: ঋষভ বসু

রাহুল মজুমদার | ২৯ আগস্ট ২০২৫ ১৬ : ৫১Rahul Majumder

বিশ্বসাহিত্যের জনপ্রিয় চরিত্র শার্লক হোমস-এর অনুপ্রেরণায় তৈরি হয়েছে সায়ন্তন ঘোষাল পরিচালিত ছবি 'সরলাক্ষ হোমস'।  ছবিতে শার্লক হোমসের বদলে নাম রাখা হয়েছে সরলাক্ষ হোমস। নাম ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেতা ঋষভ বসুকে। আর্থার কোনান ডয়েলের ‘দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস’-এর উপন্যাসের প্রভাব থাকবে 'সরলাক্ষ হোমস'-এ। ছবির পরতে পরতে থাকবে টানটান উত্তেজনা, সেই সঙ্গে থাকবে দুরন্ত অ্যাকশন। এবং অবশ্যই অসহ্য সাসপেন্স।  এই ছবির মাধ্যমেই বিলিতি গোয়েন্দা পাচ্ছে বাংলার রং। মুক্তির ঠিক আগে শার্লক, ফেলুদা, সরলাক্ষ, লন্ডন - সবকিছু নিয়েই আজকাল ডট ইন-এর মুখোমুখি ঋষভ। শুনলেন রাহুল মজুমদার। 


শার্লক হোমসকে নিয়ে এতগুলো ছবি ও সিরিজ হয়েছে। বাংলায় প্রথমবারের মতো হোমসকে ফুটিয়ে তোলার চাপ কতটা অনুভব করেছেন?

ঋষভ: সত্যি বলছি, এতটুকুও হয়নি (এক নিঃশ্বাসে)।  তার কারণ শার্লক হোমস নিয়ে আমার ছোট থেকেই প্রচুর পড়াশোনা ছিল, সেটা ভালবাসার জায়গা থেকেই। তাই আত্মবিশ্বাস ছিলই। ফেলুদা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটির পর আমি ক্লাস সিক্সে শার্লক হোমসের গল্প প্রথম পড়ি, বাংলা অনুবাদ। তখন অবশ্য শার্লকের গল্পে লুকিয়ে থাকা মনস্তত্ত্ব বিষয়গুলো বুঝিনি, টানটান গোয়েন্দা গল্প হিসেবে খুবই রোমাঞ্চকর লেগেছিল। ব্যস! সেই আমার হোমস-ভক্ত হয়ে পথচলা শুরু (হাসি) 

 

 

তাহলে সরলাক্ষ-র প্রিয় কে? ফেলুদা না হোমস?

ঋষভ: আমার কাছে শার্লক হোমস। না, ছবির প্রচারের জন্য বলছি না। দেখুন, ফেলুদা তো আমাদের বাঙালিদের কাছে অন্য আবেগ। কিন্তু শুধু গোয়েন্দা গল্প হিসেবে যদি বিচার করি তাহলে কিন্তু ফেলুর থেকে হোমসের গপ্পো অনেক বেশি জমাটি। শুধু ফেলুদাই নয়, অন্য যেকোনও গোয়েন্দার থেকেই হোমস আমার কাছে এগিয়ে।  

 

 

পরশুরাম শার্লক হোমসকে নিয়ে ‘স্পুফ’ লিখেছিলেন সরলাক্ষ হোমস। সেই নামটি যখন এ ছবিতে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাহলে কি...

ঋষভ: (প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই) বুঝতে পেরেছি, আপনার ইঙ্গিত। না, না হোমসকে নিয়ে কোনও কটাক্ষ, খোঁচা, ব্যাঙ্গাত্মকধর্মী কিচ্ছু এই ছবিতে নেই। তবে হ্যাঁ, মজা আছে। (অল্প হাসি) একটু বুঝিয়ে বলি। মার্ভেলের ছবিগুলোতে আমরা যেমন একটা তাদের তৈরি একটা ভিন্ন ইউনিভার্স দেখি। এ ছবিতেও খানিক সেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে... এমন এক দুনিয়া যেখানে শার্লক হোমস নামের কেউ ব্রিটিশ ছিলেন না। একটি বাঙালি ছেলে, নাম তাঁর সরলাক্ষ, সে কলকাতা ছেড়ে একটি বিশেষ কারণে লন্ডন নিবাসী। ব্রিটিশরা তাঁর নাম উচ্চারণ করতে পারে না ঠিক করে, তাই সুবিধেমতো ডেকে বলে শার্লক। এর বেশি কিছু বললে মজাটা মাটি হয়ে যাবে! (হাসি)

 

 


শার্লকের বুদ্ধি, লজিক আর কেমিস্ট্রিই তো তাকে আলাদা করে। আপনার অভিনয়ে সেটা ফুটিয়ে তুলতে কী ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন?

ঋষভ: আমি সবসময় বাংলার দর্শককে মাথায় রেখে অভিনয় করেছি। আসলে, বাঙালি দর্শক পর্দার গোয়েন্দাদের খুব ভালবাসেন। ফেলুদা-ব্যোমকেশের বারেবারে সফল হওয়া এই যুক্তির প্রমাণ। তবে ফেলুদা-ব্যোমকেশ, কাকাবাবুরা অনেক ম্যাচিওর্ড, খানিক সিরিয়াস। আবার একেনবাবু মজাদার, রসবোধে টইটুম্বুর। সেখানে, সরলাক্ষর মধ্যে সচেতনতাও রয়েছে, ভয়ঙ্কর রসবোধও আছে। আর তার সঙ্গে যেটা যোগ হয়েছে, তা হচ্ছে মারপিট! দুরন্ত অ্যাকশনে সিদ্ধহস্তে সরলাক্ষ। সব মিলিয়ে চেষ্টা করেছি, একজন বহুল পরিচিত সাহেব-গোয়েন্দার সঙ্গে কতটা বাঙালিয়ানা মিশিয়ে দেওয়া যায়। কতটা বাঙালি দর্শকের কাছের করে তোলা যায়।   

 

 

কোনান ডয়েলের লেখা আর পর্দার শার্লকের মধ্যে অনেক ফারাক দেখা যায়। আপনি কোন দিকটা বেশি গুরুত্ব দিলেন – বইয়ের হোমস না কি আধুনিক দর্শকের কল্পনার হোমস?


ঋষভ: শার্লক চরিত্রটির তো একটা দর্শন আছে, ভাবনা আছে - সেটা খানিক পাগলামো। সেই ব্যাপারটিকে অক্ষুণ্ণ রেখে কিছুটা নিজের দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করেছি। অ্যাপ্রোচটা বাঙালি রেখেছি।  

 

 

হোমসের অভ্যাস, শরীরী ভাষা, ছোটখাটো ট্রিকস—এসব ফুটিয়ে তুলতে কোনও অভিনেতার থেকে বিশেষ রেফারেন্স নিয়েছিলেন?

ঋষভ: দেখুন, দেশি-বিদেশি যে যে অভিনেতারা শার্লক হোমসের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, তাঁদের সবার কাজ অবশ্যই দেখা রয়েছে। কিন্তু এই চরিত্রে অভিনয়ের সময়ে তাঁদের মধ্যে কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করিনি। তাই সাফ কথা বলি, আমার এই সরলাক্ষের মধ্যে রবার্ট ডাউনি জুনিয়র-ও আছেন আবার দেব-ও আছেন! আমি এখানে একটা কথা বলতে চাই। 

 

 

নিশ্চয়ই! বলুন না। 

ঋষভ: ফেলুদা-ব্যোমকেশ-কাকাবাবু-কিরীটি এই গোয়েন্দাদের ছবিগুলো মাল্টিপ্লেক্স দর্শক, উচ্চশ্রেণির দর্শককেই বেশি আকৃষ্ট করে। মানে ধরুন, আমি ছোটবেলায় যাঁদের সঙ্গে পারে খেলাধুলো করেছি তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এখন ট্যাক্সি চালান, কেউ সিভিক ভলেন্টিয়ারের পেশায় আছেন -এই ধরনের মানুষ কিন্তু সেভাবে ফেলুদা-ব্যোমকেশের ছবির দিকে আকৃষ্ট হয়নি। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তাই বলে। সেখানে সরলাক্ষ হোমসের মতো একজন গোয়েন্দা স্যুট-কোট পরে রহস্য সমাধান করছে লন্ডনে...এরকম ছবির কথা শুনলে তো প্রথমেই তাঁরা তা দেখতে দ্বিধাবোধ করবে। তাই না? তাই আমি চেষ্টা করেছি, এঁদেরও যেন ভাল লাগে, আগ্রহ বাড়ে সেরকম করে সরলাক্ষকে ফুটিয়ে তুলতে। আর সমাজে যাঁরা শোষিত, তাঁদের শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব কিন্তু শার্লক হোমস করত। কোনান ডয়েলের লেখাতেই তা স্পষ্ট। আমার ‘সরলাক্ষ’ও কিন্তু এরকম মানুষদের হয়ে কথা বলবে। এইটুকু বলতে পারি। 
 

 

 

বাংলায় শার্লক হোমস বানানোর সাহসী সিদ্ধান্তের মধ্যে কী আপনাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করল?

ঋষভ:  শার্লক হোমসের চরিত্রে অভিনয় করতে পারার সুযোগটাই সবথেকে বড় আকর্ষণ ছিল। তার উপর সায়ন্তন ঘোষাল যেমন ছবি বানান...একটু ফাস্ট ছবি, থ্রিলিংয়ে ভরপুর আমার বেশ লাগে। তাই ওঁর সঙ্গে কাজ করার একটা ইচ্ছে তো ছিলই। আর একটা কারণ এই ছবির প্রযোজনা সংস্থা -এস কে মুভিজ। অনেক কম মানুষ জানেন তাই কম কথা হয় যে এই সংস্থাই কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের জীবনীকেন্দ্রিক ছবি 'ডুব' তৈরি করেছিলেন। ইরফান খান-কে মুখ্যচরিত্রে নিয়ে! তাই এই দুই কম্বিনেশনটা আমাকে খুব আকৃষ্ট করেছিল। এবং অবশ্যই ছবির কাস্ট! এককথায়, দুরন্ত। 

 


‘দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস’ গথিক থ্রিলারের মিশ্রণ—অন্ধকার, রহস্য, আতঙ্ক। শুটিং করার সময় সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মুহূর্ত কোনটা ছিল?

ঋষভ: ছবিতে ডার্টমুরের জঙ্গলের অংশটা ছবিতে যেখানে শুট করা হয়েছে, সেটা ডোতে এক বর্ধিষ্ণু ব্রিটিশের সম্পত্তি। বিরাট, বিরাট বড় জায়গা। সেই জঙ্গলের মধ্যে অসাধারণ একটা অভিজ্ঞতা হয়েছিল। ওখানে একটা বাঙ্কার আছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমলে। সেই সময়ে যখন যুদ্ধ চলছে, নিরাপত্তার স্বার্থে কুইন এলিজাবেথ সেখানে বেশ কিছুদিন ছিলেন! এছাড়াও সেই সময়ের যুদ্ধের ট্যাঙ্ক, বাইক, চার চাকা গাড়ি, কামান আজও সংরক্ষণ করা হয়েছে।  যেসব বিষয়ের সঙ্গে জড়িয়ে এত ইতিহাস, এত মৃত্যু, রক্ত, যুদ্ধ, প্রাণ...সব মিলিয়ে ভাবতে পারছেন অনুভবের মাত্রাটা! সেখানে শুট করেছি! (জোর গলায়)  আর এসবের মধ্যে যখন জঙ্গলে ঝুপ করে আঁধার নামত, ওরকম ইংল্যান্ডের স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া... কী যে গা ছমছম করে উঠত এই সাক্ষাৎকার দিতে দিতে তা বোঝানো অসম্ভব। 

 

ওয়াটসনের সঙ্গে শার্লকের রসায়নটা খুব ইন্টারেস্টিং। সেটা এখানে কীভাবে দেখানো হয়েছে? 

ঋষভ: হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। শার্লক-ওয়াটসনের সম্পর্কে পরস্পরের সঙ্গে কখনও ভাইয়ের, কখনও বন্ধুর আবার কখনও কেউ কাউকে দেখতে চাইছেন না। এছাড়াও  এখানে একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার আছে। ছবিতে ওয়াটসনের চরিত্র ‘ডাঃ আর্য সেন’-এর ভূমিকায় আছেন অর্ণ মুখোপাধ্যায়। আমি অর্ণদার নির্দেশনায় মঞ্চে অভিনয় করেছি, ওঁর কাছে অভিনয়ের পাঠ নিয়েছি। সেই অর্ণদার সঙ্গে কাজ করা খুব আনন্দের। এই জুটির রসায়নটা খুব মজার।

 


যদি বাস্তব জীবনে শার্লকের মতো ডিটেকটিভ ক্ষমতা পেতেন, তবে কোন রহস্যটা আগে সমাধান করতে চাইতেন?

ঋষভ: এই যে ভোট চুরি হচ্ছে সেইটের তদন্ত করে সমাধান করতাম। কোথায়, কীভাবে ভোট চুরি হচ্ছে, কাদের কাছে যাচ্ছে সেইসব রহস্যের সমাধান করতাম। 

 

 


হোমস তো প্রখর মস্তিষ্কের অধিকারী। আপনার নিজের জীবনে এমন কোনও অভিজ্ঞতা আছে যেখানে আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অন্যদের চমকে দিয়েছে?

ঋষভ: আমি না মানুষের ব্যক্তিত্ব দেখে, হাঁটা চলা দেখে, কথার মধ্যে তাঁর শব্দচয়ন শুনে প্রাথমিক ধারণা করতে পারি, সে কেমন হবে। প্রায় ক্ষেত্রেই পরে দেখেছি আমি নির্ভুল। নাম তুলছি না, ইন্ডাস্ট্রির দুই ব্যক্তি পরস্পরের সঙ্গে প্রেম করছেন, গোপনে সম্পর্ক গিয়েছেন -সেটাও বুঝতে পেরেছিলাম প্রথম দেখাতেই, সারা টলিপাড়া জানার আগেই। তখন নিজেকে মনে মনে বলেছিলাম, ওয়েল ডান! তবে প্লিজ নাম জিজ্ঞেস করবেন না! (জোরে হাসি)

 


বাংলা দর্শকের কাছে শার্লক নতুন অবতারে আসছে। আপনি তাদের কী বলতে চান? 

ঋষভ: এই ছবি কারও ভাল লাগতে পারে, কারও খারাপ লাগতে পারে। আমার অনুরোধ, একবার সুযোগ অন্তত দিন। নতুন ব্যাপারকে প্রথমেই দূরে সরিয়ে দেবেন না। একটু দেখুন নাড়িয়ে-টাড়িয়ে দেখুন না, আগে থেকে ভাববেন না শার্লক এমন হয় না, ওমন হয় না। সবকিছু দেখে, মেপে খারাপ লাগলেও সেই দায় আমি মাথা পেতে নেব। কিন্তু যদি ভাল লাগে, আশ্বাস দেন তাহলে আখেরে লাভ হবে বাংলা ছবির। এরকম, সাহস করে, এক্সপেরিমেন্ট করে আরও নানান বাংলা ছবি তৈরির সাহস হবে আমাদের, নির্মাতাদের।


নানান খবর

এবার রুপো বন্ধক রেখেও মিলবে ঋণ, জেনে নিন খুঁটিনাটি

কলকাতায় ম্যানহোল থেকে পচা গলা দেহ উদ্ধার! ঘটনা ঘিরে চরম চাঞ্চল্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী

নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির দাবিতে কমিশনকে ১৩ দফা চিঠি মহম্মদ সেলিমের

স্ত্রীর প্রসবের সময়ে এ কী কাণ্ড? হাসপাতালেই মামাকে পিটিয়ে মারল যুবক, হাড়হিম ঘটনা এই শহরে

ভারত জিতলে জেমাইমার গিটারের সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গান গাওয়ার আবদার জুড়লেন সানি

৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর ক্যাম্প তৃণমূলের, বিএলও-কে এক মিনিটও একা না ছাড়া যাবে না, ভার্চুয়াল বৈঠকে নির্দেশ অভিষেকের

ছিলেন ক্রিকেটার, অধিনায়ক ও সাংসদ, এবার মন্ত্রীও হয়ে গেলেন আজহার

গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল সেবনের ফল মারাত্মক, পরিবর্তনে হতে পারে শিশুর মস্তিষ্কের রসায়নের

পাহাড়ে প্রবল বৃষ্টি, দুধিয়ার হিউম পাইপ সেতুর নিচে ফুলে উঠছে বালাসন খোলা নদী, বাড়ছে বন্যার আশঙ্কা

‘‌কোচের একটা কথাই বদলে দিয়েছিল মানসিকতা’‌, অকপট হরমন

ধস নামালেন জস, মেয়েদের ইতিহাস গড়ার পরের দিনই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ল্যাজেগোবরে হল টিম ইন্ডিয়া

পাকিস্তানের পাশে চীন, সমস্যায় পড়তে পারে ভারত

ভারত–অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালে রেকর্ডের ছড়াছড়ি, জেমাইমাই গড়লেন একগুচ্ছ নজির 

হ্যালোইনের ভূতে কলকাতা কাঁপে! বিদেশি হুল্লোড় শিশুমনের আলো না আঁধার?

এখনও কাপ পাননি সূর্যরা, এরই মধ্যে আরও একটি এশিয়া কাপ চলে এল

ভারতের কাছে হারের পরেই অবসরের ইঙ্গিত অজি অধিনায়কের

যে মেয়েটা বিয়ে না করে ফুটবলার হতে চায়, তার চোখে সন্ধ্যাতারা হয়ে ফুটুন জেমাইমা

নিউরো সার্জারিতে নতুন দিশা, ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিতে লাগছে না কাটাছেঁড়া, বিনা অস্ত্রোপচারেই সারছে মস্তিষ্কের জটিল রোগ

২০০২ সালের ভোটার তালিকা খুঁজছেন? রাজ্যের সিইও দপ্তরের ওয়েবসাইট নিষ্ক্রিয়, তাহলে পাবেন কোথায়? রইল হদিশ

সপ্তাহান্তে ফের যানজটের আশঙ্কা, বন্ধ থাকছে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, নির্দেশিকা জারি কলকাতা পুলিশের

৬ কিমি বেগে হাঁটতে হবে, তার নীচে হলেই গুনতে হবে জরিমানা, অদ্ভূত নিয়ম চালু করল ইউরোপের এই দেশ

দুটি সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে তিনটি পৃথিবী, সামনে এল অবাক করা আবিষ্কার

শিশুদের জন্য কাজ করে শিশুদেরই পণবন্দি! রোহিতের বিপুল টাকা আটকে রেখেছিল সরকার? মুম্বই-কাণ্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

দূষণের গ্রাসে দিল্লি, সামনে এল নতুন ভাইরাসের কীর্তি

সোশ্যাল মিডিয়া