শুক্রবার ০১ মে ২০২৬
সম্পূর্ণ খবর
Rahul Majumder | | Editor: Syamasri Saha ১৫ জুন ২০২৫ ১৮ : ৩৫Rahul Majumder
‘পঞ্চায়েত’ ওয়েব সিরিজে ভূষণ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন দুর্গেশ কুমার। এই সিরিজ ছাড়াও তিনি ‘বেহেন হোগি তেরি’, ‘ফ্রিকি আলি’, ‘দ্য ড্রিম জব’, ‘ধড়ক’, ‘সঞ্জু’ এবং ‘বোম্বাইরিয়া’র মতো হিন্দি ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছেন। চলতি মাসেই আসছে ‘পঞ্চায়েত’-এর চার নম্বর সিজন। দর্শকমহলে এই সিরিজ নিয়ে উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো। তাঁর আগে আজকাল ডট ইন-এর মুখোমুখি হলেন ‘পঞ্চায়েত’-এর অন্যতম প্রধান অভিনেতা দুর্গেশ কুমার। অবশ্য জনতামহলে ‘ভূষণ’, ‘বনরাকস’ নামেই বেশি পরিচিত তিনি।
সাক্ষাৎকারটা কোথা থেকে শুরু করব ভাবছি। নিজের বিষয়ে কিছু বলুন না...
দুর্গেশ: বেশ, বেশ। সেই ভাল। আমি মোতিপুর গ্রামের ছেলে। বিহারের দ্বারভাঙা জেলার এককোণে সেই গ্রাম। আমার শৈশব, কৈশোর ওখানেই কেটেছে। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার প্রস্তুতি নিতে দিল্লি এসেছিলাম। দু'তিনবার দিয়েওছিলাম পরীক্ষা। কিন্তু কৃতকার্য হয়নি, তখন আমার দাদার পরামর্শে থিয়েটারে যোগ দিই খানিকটা গরুমিংয়ের জন্যেই। এইভাবেই মঞ্চ আমাকে আপন করে নিল। ধীরে ধীরে মঞ্চ, অভিনয়-ই আমার ঘরবাড়ি হয়ে উঠল। এরপর ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামায় যাই....১২ বছর টানা থিয়েটার করে গিয়েছি।
মঞ্চ থেকে বলিউডে কীভাবে এলেন?
দুর্গেশ: একদিন আমাকে একটি ছবির অডিশনে ডেকে পাঠায় আমার এক বন্ধু। তখন ও বিখ্যাত কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবরার সহকারী। আমি গেলাম, দিলাম অডিশন। আমার পারফরম্যান্স ভাল লেগে যায় ইমতিয়াজ আলি। এরপরেই 'হাইওয়ে' ছবিতে কাজের ডাক পাই। চলে আসি মুম্বই। তারপর তো দেখতে দেখতে ১২ বছর কেটে গেল এখানে (হাসি)। জানেন, বহু ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করেছি এ ক'বছরে। তারপর লকডাউনে পরপর কাজ আসতে থাকে...
'পঞ্চায়েত'-এ একটু ঢুকি এবার। পঞ্চায়েত-এর জগতে ঢোকার সময় কোনও প্রস্তুতি নিয়েছিলেন? একেবারে দেহাতি মানুষ হয়ে ওঠার যে ব্যাপারটা...
দুর্গেশ: (অল্প হেসে) না, না তেমন কিছুই ছিল না। আমি মশাই গ্রামের ছেলে। ২০ বছর বয়স পর্যন্ত গ্রামে থেকেছি। সেখানকার মানুষজন, আবহাওয়া সব আমার চেনা-জানা। আমাদের গ্রামে একজন ভদ্রলোক আছেন, গ্রামতুতো কাকা হন -তাঁর নাম বালাকান্ত চৌধরী। ওঁর হাবভাব দেখেই পঞ্চায়েত-এ আমার যে চরিত্রটা ভূষণ মানে বনরকস -কে তৈরি করেছি। বালাকান্ত চৌধরীর স্বভাব হুবহু ভূষণের মতো (হাসি)
‘পঞ্চায়েত’ তো একটা মিনিমাল, মাটির গন্ধমাখা গল্প—এই সিরিজের সেটে কাজ করা আর অন্য সেটে কাজ করার মধ্যে কী তফাত?
দুর্গেশ: সব ছবির পলিটিক্যাল, ইকোনোমিক্যাল প্রেক্ষাপট আলাদা। এঁদের মানে, টিভিএফ সংস্থার পরিবেশটা এক্কেবারে আলাদা। খুব মজার, হাসিখুশি মেজাজের মানুষজন চারপাশে থাকেন। গল্প-আড্ডা করতে করতে ফুরফুরে মেজাজে কাজ হয়ে যায়। আর একটা কথা বলতে চাই!
নিশ্চয়ই, বলুন না!
দুর্গেশ: পঞ্চায়েত-এর প্রথম সিজনে মাত্র একটি দৃশ্যে অভিনয় করেছিলাম। আসলে, বেশ কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন ছবি, সিরিজে একটা-দুটো দৃশ্যেই অভিনয় করে আসছিলাম। তাই না করিনি। এরপর তো পঞ্চায়েত মুক্তি পেল। তারপর প্রযোজনা সংস্থা থেকে ডেকে আমাকে জানানো হল, ওই একটা দৃশ্যেই ভূষণ নাকি বেশ মজা দিয়েছে দর্শককে। তাই দ্বিতীয় সিজনেও ভূষণ থাকবে এবং অনেকটা সময় জুড়েই থাকবে। তারপর তো বাকিটা সবাই জানেনই।
আচ্ছা, আপনার অভিনীত চরিত্র ‘ভূষণ’-এর মধ্যে আপনি নিজেকে কতটা খুঁজে পান?
দুর্গেশ: এ বাবা, একটুও না। আমি ওরকম একেবারেই নয় (জোরে হাসি) আমি ভূষণের মতো অত বকবক করি না, অত ঔদ্ধত্য নেই। বরং চুপচাপ নিজের মতো থাকি।
‘পঞ্চায়েত’-এর শুটিংয়ের কোনও মজার ঘটনা মনে রেখে দিয়েছেন?
দুর্গেশ: কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি! এরকম বহুবার হয়েছে, আমি কোনও সংলাপ বলছি নিজস্ব কায়দায় আর সবাই হো হো করে হেসে উঠছেন। একবার, দু'বার, তিনবার, বারবার। আর প্রতিবার শট রিটেক করতে হচ্ছে আর এদিকে আমি কী করব বুঝতে পারছি না (হাসি)। ওই যে বললাম, সবাই মজায় থাকেন, কেউ রাগ করেন না সেটে।
‘পঞ্চায়েত’-এর কোনও সংলাপ বা কোনও বিশেষ দৃশ্য যা আজও আপনাকে ছুঁয়ে থাকে?
দুর্গেশ: এই সিরিজে আমার বলা সেই প্রথম সংলাপটা – ‘দো বচ্চে মিঠে ক্ষীর, উসসে জ্যায়দা বাবাশির!’ (জোরে হাসি) আর ‘দেখ রাহা হ্যায় বিনোদ...’ - এই সংলাপটা আমার নিজেরও ভারি ভাল লাগে।
এখন তো মঞ্চের শিল্পীদের ছোটপর্দা, বড়পর্দায় রমরমা… বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?
দুর্গেশ: দেখুন, আমি একজন পেশাদার অভিনেতা। আলাদা করে মঞ্চ আর পর্দার তারতম্য দেখি না। আর বলিউডে তো বহু বিখ্যাত শিল্পীরা থিয়েটারের উঠোন থেকেই এখানে পা রেখেছেন - বলরাজ সাহানি, রাজেশ খান্না, অমিতাভ বচ্চন কীসব নাম, বাবা রে বাবা!
‘স্ট্রাগল’ শব্দটা শুনলে আপনার মনে কী আসে?
দুর্গেশ: এই সবটা শুনলেই আমার মাথায় পরপর আসে ক্ষিদে, টেনশন, ফাস্ট্রেশন শব্দগুলো, স্মৃতিগুলো!
এখনকার প্রজন্মের অনেক অভিনেতা ইনস্টাগ্রাম রিল বানিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছেন। আপনি সেই ট্রেন্ডে বিশ্বাস করেন?
দুর্গেশ: ধুর! ফালতু এসব করার কোনও মানেই হয় না। অকারণে এসব বোকা বোকা ব্যাপার করে কী লাভ বলুন তো! তবে হ্যাঁ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এগুলো খুব শক্তিশালী। তাই নিজের ভাল কাজের কথা এখানে বলুন, আলোচনা করুন, ছবি দিন। সমাজমাধ্যমের সঠিক ব্যবহার করুন, তাতে আপনার নিজেরও লাভ হবে।
ভবিষ্যতে পরিচালনা বা গল্প লেখা, এমন কিছু পরিকল্পনা আছে?
দুর্গেশ: না, না! (মাথায় হাত ঠেকিয়ে) আপাতত লম্বা সময়ের জন্য শুধুই অভিনয়।
আপনি যদি নিজের জীবনের ওপর সিনেমা বানান, নাম কী দেবেন?
দুর্গেশ: ডিপ্রেশন! বহু ভুগেছি এই শব্দটার সঙ্গে তাই এই নাম-ই রাখব।
‘পঞ্চায়েত’-এর পর জীবন কতটা বদলেছে?
নিজের গ্রামে আমি একটি ছোট্ট বাড়ি বানিয়েছি। টাকার চিন্তা এখন আর অতটা নেই, চারবেলা পেট ভরে খেতে পাই, পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারি। ..এগুলো বিরাট পরিবর্তন আমার জীবনে।
বাংলা ছবি দেখেন?
দুর্গেশ: সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ বহুবার দেখেছি, মিঠুন চক্রবর্তীর ‘তাহাদের কথা’ও খুব ভাল লেগেছিল।
‘লাপতা লেডিজ’- এ কাজ করেছেন? আমির খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন? আমির খান কিছু বলেছিলেন আপনার কাজ নিয়ে?
দুর্গেশ: না, না আমির খানের সঙ্গে সরাসরি কথা হয়নি। তবে কিরণজি (কিরণ খের) জানিয়েছিলেন, আমার কাজ আমিরের খুব পছন্দ হয়েছে।
আচ্ছা, ‘গ্রামের সমস্যা’-র বদলে ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সমস্যা’ নিয়ে যদি কোনও সিরিজ বানান— সবচেয়ে বড় কোন সমস্যা দেখাবেন?
দুর্গেশ: শুনুন তাহলে। বলিউডের অডিশন প্রক্রিয়া ১০০ শতাংশ পরিষ্কার নয়! সেটা বিরাট সমস্যার। অডিশন প্রক্রিয়াটাকে ঠিক করতে হবে। যাঁরা ল্যাপটপ নিয়ে বসে, বড় বড় কথা বলে অডিশন নিচ্ছেন, তাঁরা অভিনয়ের কতটুকু জানেন? নিজেরা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ আর পরীক্ষা নিচ্ছে স্নাতোকত্তোর ব্যক্তিদের! (সামান্য উত্তেজিত) এই তো অবস্থা।
এরপর কী কী ছবি রয়েছে আপনার?
দুর্গেশ: ‘নেটওয়ার্ক’, ‘তুঝকো মেরি কসম’, ‘বাগী বেচারে’, অসমের একটি ছবি করেছি ‘মালামাল বয়েজ’-সেখানে আমিই প্রধান খলচরিত্র। এছাড়া অনুরাগ কাশ্যপের পরিচালনায় দু’টি ছবিতে অভিনয় করেছি। থ্রিলারধর্মী। তবে অনুরাগজির সেই ছবি নিয়ে এর থেকে বেশি কিচ্ছু বলতে পারব না এখনই। ছবির নাম-ও বলতে পারব না বারণ আছে, ক্ষমা করবেন (হাসি)
‘পঞ্চায়েত ৫’-এর শুটিং কবে থেকে শুরু হবে?
দুর্গেশ: ঠিক কবে থেকে শুরু হবে সেটা জানি না। এটুকু বলতে পারি, এ বছরের শেষের দিকে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
নানান খবর
এবার রুপো বন্ধক রেখেও মিলবে ঋণ, জেনে নিন খুঁটিনাটি
কলকাতায় ম্যানহোল থেকে পচা গলা দেহ উদ্ধার! ঘটনা ঘিরে চরম চাঞ্চল্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী
নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির দাবিতে কমিশনকে ১৩ দফা চিঠি মহম্মদ সেলিমের
স্ত্রীর প্রসবের সময়ে এ কী কাণ্ড? হাসপাতালেই মামাকে পিটিয়ে মারল যুবক, হাড়হিম ঘটনা এই শহরে
ভারত জিতলে জেমাইমার গিটারের সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গান গাওয়ার আবদার জুড়লেন সানি
৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর ক্যাম্প তৃণমূলের, বিএলও-কে এক মিনিটও একা না ছাড়া যাবে না, ভার্চুয়াল বৈঠকে নির্দেশ অভিষেকের
ছিলেন ক্রিকেটার, অধিনায়ক ও সাংসদ, এবার মন্ত্রীও হয়ে গেলেন আজহার
গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল সেবনের ফল মারাত্মক, পরিবর্তনে হতে পারে শিশুর মস্তিষ্কের রসায়নের
পাহাড়ে প্রবল বৃষ্টি, দুধিয়ার হিউম পাইপ সেতুর নিচে ফুলে উঠছে বালাসন খোলা নদী, বাড়ছে বন্যার আশঙ্কা
‘কোচের একটা কথাই বদলে দিয়েছিল মানসিকতা’, অকপট হরমন
ধস নামালেন জস, মেয়েদের ইতিহাস গড়ার পরের দিনই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ল্যাজেগোবরে হল টিম ইন্ডিয়া
পাকিস্তানের পাশে চীন, সমস্যায় পড়তে পারে ভারত
ভারত–অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালে রেকর্ডের ছড়াছড়ি, জেমাইমাই গড়লেন একগুচ্ছ নজির
হ্যালোইনের ভূতে কলকাতা কাঁপে! বিদেশি হুল্লোড় শিশুমনের আলো না আঁধার?
এখনও কাপ পাননি সূর্যরা, এরই মধ্যে আরও একটি এশিয়া কাপ চলে এল
ভারতের কাছে হারের পরেই অবসরের ইঙ্গিত অজি অধিনায়কের
যে মেয়েটা বিয়ে না করে ফুটবলার হতে চায়, তার চোখে সন্ধ্যাতারা হয়ে ফুটুন জেমাইমা
নিউরো সার্জারিতে নতুন দিশা, ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিতে লাগছে না কাটাছেঁড়া, বিনা অস্ত্রোপচারেই সারছে মস্তিষ্কের জটিল রোগ
২০০২ সালের ভোটার তালিকা খুঁজছেন? রাজ্যের সিইও দপ্তরের ওয়েবসাইট নিষ্ক্রিয়, তাহলে পাবেন কোথায়? রইল হদিশ
সপ্তাহান্তে ফের যানজটের আশঙ্কা, বন্ধ থাকছে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, নির্দেশিকা জারি কলকাতা পুলিশের
৬ কিমি বেগে হাঁটতে হবে, তার নীচে হলেই গুনতে হবে জরিমানা, অদ্ভূত নিয়ম চালু করল ইউরোপের এই দেশ
দুটি সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে তিনটি পৃথিবী, সামনে এল অবাক করা আবিষ্কার
শিশুদের জন্য কাজ করে শিশুদেরই পণবন্দি! রোহিতের বিপুল টাকা আটকে রেখেছিল সরকার? মুম্বই-কাণ্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য
দূষণের গ্রাসে দিল্লি, সামনে এল নতুন ভাইরাসের কীর্তি