বুধবার ০৬ মে ২০২৬

সম্পূর্ণ খবর

Womens day 2025: Tollywood star Rituparna Sengupta writes about her thoughts on the special day

বিনোদন | "কেন প্রত্যেক নারী দিবসে সমাজকে মনে করিয়ে দিতে হবে নারীদের সম্মান করার কথা?" আজকাল ডট ইন-এ কলম ধরলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

Reporter: Syamasri Saha | লেখক: নিজস্ব সংবাদদাতা | Editor: Syamasri Saha ০৮ মার্চ ২০২৫ ১৪ : ৪৪Akash Debnath

আজ নারী দিবস। নারীর চাওয়া-পাওয়া, ক্ষমতায়নের উদযাপনের দিন। কিন্তু আদৌ কি উদযাপনের মতো কিছু রয়েছে নারীর কাছে? ৩৬৫ দিনই নারীরা যেভাবে নিজেদের নিংড়ে দেন, আজকের দিনটাও তো সেভাবেই বাঁচতে হবে তাঁদের! নারীরা যতই এগিয়ে আসুক, আসার চেষ্টা করুক, তাঁদের এতো রকম ভাবে ধাক্কা খেতে হয়, দৈনন্দিন জীবনে এতো রকম ভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয় যে প্রত্যেক দিনই মনে করিয়ে দেওয়া উচিত- আজ নারী দিবস। আর যদি কোনও দিনকে আলাদা করে উদযাপন করতেই হয়, তবে সেই দিন তো আরও বেশি করে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, নারীরা তাচ্ছিল্যের পাত্রী নন। 

কিন্তু তিক্ত সত্যিটা হল, যত স্পষ্ট করেই বলা হোক না কেন, নারীদের উপর হয়ে চলা অবদমনের পুনরাবৃত্তি যেন থামতেই চায় না। তাই এই একটা দিন, আরও বেশি করে চোখে আঙুল দিয়ে সেই অন্যায়গুলোকে দেখিয়ে দেওয়ার দিন। কেন প্রত্যেক বার নারী দিবসে মানুষকে সচেতন করতে হবে? কেন? ঠিক কতবার বোঝানোর পর মানুষ সচেতন হবেন? বোধোদয় কি কোনও দিনও হবে না?

নারীরা ঠিক কী চায়? নারীদের ভেতরেও একটা দ্বৈত সত্তা রয়েছে। একদিকে আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ একটা রূপ, ঠিক তার বিপরীতেই যেন কিছুটা সংশয়। নিজের ভিতরের যে আত্মবিশ্বাস সেটা নিছক কোনও মানসিক অবস্থা নয়। সেটা আসে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে। এক মুহূর্তে মনে হয় চারপাশের পরিবেশ সুস্থ হচ্ছে, কিন্তু পরক্ষণেই মনে হয় যেন আবার সব কিছু আমাদের পঞ্চাশ বছর পিছনে ঠেলে দিচ্ছে। যেন ক্রমাগত একটা পরীক্ষা দিয়ে চলেছি আমরা, একটা অনিঃশেষ ট্রায়াল অ্যান্ড এররের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। মানুষের জীবন কি সত্যিই এভাবে চলতে পারে? সবার আগে দরকার সম্মান, যতদিন না প্রত্যেক নারী তাঁর প্রাপ্য সম্মান পাচ্ছেন ততদিন পরিস্থিতিতে বদল আসবে না।

মেয়েরা বোধহয় সত্যিই কোনও দিন নিজের জীবনকে হাতের মুঠোয় ধরতে পারে না। অথচ এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না। পুরুষদের তুলনায় কোনও অংশে কম কিছু তো করছে না নারীরা। বরং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। তবু যেন ফিরে ফিরে আসে সেই একই অবমাননা। এমনকী সংসারের মধ্যেও যেন একটা শ্রমের বিভাজন তৈরি হয়েছে। যেন মেয়েদের থেকে সব কিছু অতিরিক্ত চাওয়াটাই দস্তুর। কেন? আদিকাল থেকে সেটাই চলে এসেছে তাই? নাকি নারী-পুরুষের শ্রমের মর্যাদা দু’রকম? নাকি আমাদের ভাবনার বিন্যাসেই গলদ? পুরুষ আর নারী তো একই সঙ্গে সভ্যতা তৈরি করেছে। তাহলে আজকে নারীদের কেন আলাদা করে বলতে হবে নিজেদের কথা?


ভালবেসে তো কত মানুষই কত কিছু করেন। কিন্তু যদি আগে থেকেই দাগিয়ে দেওয়া হয় যে এটা মেয়েদেরই কাজ, কিংবা এটা ওঁদের কাজ নয়, তাহলে লিঙ্গবৈষম্য কোনও দিনই দূর হবে না। এই বৈষম্য দেখতে দেখতে দিন পেরিয়ে বছর আসে, আবার একটা একটা করে বছর পেরিয়ে যায়, শতাব্দী পেরিয়ে যায় তবু নারী-পুরুষের বৈষম্য রয়েই যায়। 

আমার সীমিত সামর্থ্যে, ছবির মধ্যে দিয়ে কিছু কিছু জিনিস তুলে ধরার চেষ্টা করি। নারীর বিভিন্ন রূপ এক্সপ্লোর করতে ভাল লাগে বলেই 'দহন', 'পারমিতার একদিন', 'মুক্তধারা', 'চারুলতা', 'দত্তা' কিংবা 'বেলাশেষে'র মতো ছবিতে চরিত্র নির্মাণের দিক থেকে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করি নারীরা কী চান, কী কী বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয় তাঁদের। কিছুদিন পরেই আসছে 'পুরাতন'। সেখানেও মা-মেয়ের সম্পর্কের মধ্যে এই বার্তা রয়েছে। পুরুষদের অসম্মান না করেই বলছি, তাঁদের হাতে এমন কিছু অদৃশ্য ক্ষমতা রয়েছে যেগুলো নারীরাও পেতে পারতেন, পান না কেবল পুরুষতান্ত্রিক সমাজকাঠামোর জন্য। অথচ কেউ তার প্রতিবাদ করতে গেলে, কিংবা কেউ নারীদের সেই না পাওয়ার ক্ষততে মলম লাগাতে গেলেই তাঁকে ফেমিনিস্ট বা অন্য কিছু বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। আবারও বলছি, সবাই এক নন। সমাজে এমন পুরুষও আছেন যাঁরা নারীর দৈনন্দিন সংগ্রামকে সম্মান করেন। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে আজও সেই সংখ্যাটা খুবই কম। 

 


সবশেষে বলতে হয়, সারা বছরে যে কথাগুলো মুখ ফুটে বলা হয় না, এই একটা দিন অনেকে চেষ্টা করেন সেই বার্তাগুলি সর্বসমক্ষে জোর গলায় তুলে ধরার। কিন্তু সবাই কি সেই ভাষা বুঝতে পারেন? আবার তো সেই পুনরাবৃত্তি। নারী দিবসে কেন নারীদের সোচ্চার হতে হবে? ভালবাসা, উৎসাহের পাশাপাশি, সব ক্ষেত্রে নারীকে যথাযথ সম্মান দেওয়া অভ্যাস করতে হবে আমাদের। বাড়িতে মা, বোন কিংবা স্ত্রী হিসাবে যতটা, ঠিক ততটাই কর্মক্ষেত্রে সহকর্মী হিসাবে। নারী মানেই একটা পজিটিভ শক্তির উৎস। তাই সব মেয়েকেও এটা মাথায় রাখতে হবে তাঁরা যেন কোনও মতেই দুর্বল না হয়ে পড়েন, তাঁদের যেন কেউ দমিয়ে রাখতে না পারে। তাতেই নারী দিবসের সার্থকতা।


নানান খবর

এবার রুপো বন্ধক রেখেও মিলবে ঋণ, জেনে নিন খুঁটিনাটি

কলকাতায় ম্যানহোল থেকে পচা গলা দেহ উদ্ধার! ঘটনা ঘিরে চরম চাঞ্চল্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী

নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির দাবিতে কমিশনকে ১৩ দফা চিঠি মহম্মদ সেলিমের

স্ত্রীর প্রসবের সময়ে এ কী কাণ্ড? হাসপাতালেই মামাকে পিটিয়ে মারল যুবক, হাড়হিম ঘটনা এই শহরে

ভারত জিতলে জেমাইমার গিটারের সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গান গাওয়ার আবদার জুড়লেন সানি

৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর ক্যাম্প তৃণমূলের, বিএলও-কে এক মিনিটও একা না ছাড়া যাবে না, ভার্চুয়াল বৈঠকে নির্দেশ অভিষেকের

ছিলেন ক্রিকেটার, অধিনায়ক ও সাংসদ, এবার মন্ত্রীও হয়ে গেলেন আজহার

গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল সেবনের ফল মারাত্মক, পরিবর্তনে হতে পারে শিশুর মস্তিষ্কের রসায়নের

পাহাড়ে প্রবল বৃষ্টি, দুধিয়ার হিউম পাইপ সেতুর নিচে ফুলে উঠছে বালাসন খোলা নদী, বাড়ছে বন্যার আশঙ্কা

‘‌কোচের একটা কথাই বদলে দিয়েছিল মানসিকতা’‌, অকপট হরমন

ধস নামালেন জস, মেয়েদের ইতিহাস গড়ার পরের দিনই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ল্যাজেগোবরে হল টিম ইন্ডিয়া

পাকিস্তানের পাশে চীন, সমস্যায় পড়তে পারে ভারত

ভারত–অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালে রেকর্ডের ছড়াছড়ি, জেমাইমাই গড়লেন একগুচ্ছ নজির 

হ্যালোইনের ভূতে কলকাতা কাঁপে! বিদেশি হুল্লোড় শিশুমনের আলো না আঁধার?

এখনও কাপ পাননি সূর্যরা, এরই মধ্যে আরও একটি এশিয়া কাপ চলে এল

ভারতের কাছে হারের পরেই অবসরের ইঙ্গিত অজি অধিনায়কের

যে মেয়েটা বিয়ে না করে ফুটবলার হতে চায়, তার চোখে সন্ধ্যাতারা হয়ে ফুটুন জেমাইমা

নিউরো সার্জারিতে নতুন দিশা, ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিতে লাগছে না কাটাছেঁড়া, বিনা অস্ত্রোপচারেই সারছে মস্তিষ্কের জটিল রোগ

২০০২ সালের ভোটার তালিকা খুঁজছেন? রাজ্যের সিইও দপ্তরের ওয়েবসাইট নিষ্ক্রিয়, তাহলে পাবেন কোথায়? রইল হদিশ

সপ্তাহান্তে ফের যানজটের আশঙ্কা, বন্ধ থাকছে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, নির্দেশিকা জারি কলকাতা পুলিশের

৬ কিমি বেগে হাঁটতে হবে, তার নীচে হলেই গুনতে হবে জরিমানা, অদ্ভূত নিয়ম চালু করল ইউরোপের এই দেশ

দুটি সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে তিনটি পৃথিবী, সামনে এল অবাক করা আবিষ্কার

শিশুদের জন্য কাজ করে শিশুদেরই পণবন্দি! রোহিতের বিপুল টাকা আটকে রেখেছিল সরকার? মুম্বই-কাণ্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

দূষণের গ্রাসে দিল্লি, সামনে এল নতুন ভাইরাসের কীর্তি

সোশ্যাল মিডিয়া