শুক্রবার ০৮ মে ২০২৬

সম্পূর্ণ খবর

Actor saif ali khan recalls his son taimur s reaction after knife attack

বিনোদন | সেদিন রাতে ঠিক কী হয়েছিল, কেন তৈমুরকে কাছছাড়া করতে চাননি সইফ? প্রথমবার মুখ খুললেন অভিনেতা

Reporter: নিজস্ব সংবাদদাতা | লেখক: Rahul Majumder | Editor: Syamasri Saha ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০ : ১৬Rahul Majumder

সংবাদসংস্থা মুম্বই: ১৫ জানুয়ারির মধ্যরাতে বাড়িতে দুষ্কৃতীর ছুরিতে গুরুতর জখম হন সইফ আলি খান। সেই রাতেই মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি হন অভিনেতা। দিন পাঁচেক পর ২১ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন সইফ আলি খান। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, বিরাট বিপদ থেকে কয়েক চুলের জন্য বেঁচে গিয়েছেন সইফ। হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার পর নিজের আবাসনের নীচে দেহরক্ষীদের ঘেরাটোপে বীরদর্পে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল সইফকে। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী করিনাও। সেই দেখে নেটপাড়ার একটি বড় অংশ প্রশ্ন তোলেন, আদৌ কি আহত হয়েছিলেন সইফ না কি গোটাটাই প্রচারে থাকার জন্য ছিল কোনও সস্তা ‘স্টান্ট’? সেই সময়ে কোথায় ছিলেন করিনা? তাঁদের দুই খুদে-ই বা কী করছিল? সেসব নিয়ে এই প্রথম এসব নিয়ে এবার মুখ খুললেন স্বয়ং সইফ! পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানালেন সেই রাতে ঠিক কী হয়েছিল।  

 

ওই দুর্ঘটনার পর এই প্রথম সাক্ষাৎকার দিলেন সইফ। অতিপরিচিত ছন্দে, ঠান্ডা গলায় বললেন, “করিনা সেদিন বাইরে গিয়েছিল। পরদিন সকালে কাজ ছিল বলে বাড়িতে থেকে গিয়েছিলাম আমি। তৈমুর ও জেহ-ও ঘরেই ছিল। রাত ২টোর আশেপাশে ওদের ন্যানি আমার ঘরে ছুটে এসে বলল, একজন লোক ছুরি হাতে জেহ-র ঘরে ঢুকে পড়েছে! টাকা চাইছে! শোনামাত্রই পড়িমরি করে ছুটেছিলাম। গিয়ে দেখি ভয়ঙ্কর দৃশ্য! একটি নয়, দু'হাতে দু'টো ছুরি ধরে রয়েছে একটা মুখোশ পরা লোক। গিয়ে লাফিয়ে পড়েছিলাম ওর উপর, ছুরি দুটো নিয়ে নেব বলে। ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হতেই ও আমাকে এক নাগাড়ে এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ দেওয়া শুরু করল আমার ঘাড়ে, পিঠে! তখন এত উত্তেজিত ছিলাম যে কোনও ব্যাথা-বেদনা টের পাইনি। এটুকু মনে আছে, ওকে ঘুঁষি মারছি আর ছুরির কোপে আমার হাতের তালু, কব্জি কেটে ফালা ফালা হয়ে যাচ্ছে। তার খানিক পর টের পেলাম আমার ডান পা-টা অবশ হয়ে যাচ্ছে। তখন মনে হয়েছিল, ও হয়তো আমার পায়েও কোপ মেরেছে। কিন্তু না..যেহেতু আমার মেরুদণ্ডের কাছাকছি ছুরি গেঁথে দিয়েছিল, স্নায়ু ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল তার জেরেই ও-ই হাল হয়েছিল। কানে এসেছিল তখন করিনার চিৎকার – ‘আগে যেভাবে হোক, জেহ-কে ওই ঘর থেকে বের করো!’

 

সইফ-মর্জিতে ফের ভেসে আসে আরও কথা - “এর মধ্যে জেহ-এর ঘুম ভেঙে গিয়েছে। ও হয়তো খানিক সেই দৃশ্যে দেখে ফেলছিল।  যাইহোক, এরপর গীতা এসে কোনওরকমে ওকে ধাক্কা মেরে আমাকে টেনে হেঁচড়ে ঘর থেকে বের করে। রক্তে তখন ভেসে যাচ্ছে আমার গোটা শরীর। ওই আততায়ী তখন জেহ-র ঘরের বাথরুমের দরজা দিয়ে পালিয়েছে। আমিও তখন হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে ঘরের দেওয়ালে টানানো একটা তলোয়ার খুলে ভাবছি ওর পিছু ধাওয়া করব কি না! করিনার চিৎকারে সম্বিৎ ফিরল। তখন করিনা আর বাচ্চারা ছাড়া বাড়িতে শুধু হরি আর গীতা। গাড়িচালকদের রাতে থাকতে বলা হয় না, কারণ প্রয়োজন হয় না। কোথাও বেরোনোর কথা আগে থেকে ঠিক থাকলে, তা আলাদা। যাই হোক, হরি আর তৈমুর আমার সঙ্গে ছিল। তৈমুর আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল- ‘বাবা তুমি কি মারা যাচ্ছো?’ আমি জবাবে বলেছিলাম ‘না, বাবা’। তৈমুর আমার সঙ্গে তখন থাকতে চাইল, আমি না করিনি। কোনও ছটফট করেনি। করিনা-ও না করেনি। আমি ওকে সঙ্গে রেখেছিলাম এই ভেবে যে যদি আমার কিছু হয়ে যায়, অন্তত মারা যাওয়ার আগে শেষবার ওর মুখটা তো দেখতে পাব।”

 

সইফ আরও জানান, করিনা ততক্ষণে পাগলের মতো ফোন করে যাচ্ছিলেন সাহায্যের জন্য। কিন্তু সদুত্তর পাচ্ছিলেন না। “একটা অটো এসে দাঁড়াল, আমাকে রক্তাক্ত দেখল সঙ্গে একটা বাচ্চা -তাই দেখেই হয়তো কোনও কথা না বাড়িয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালে হেঁটেই ঢুকেছিলাম। আমি স্ট্রেচারে উঠতে চেয়েছিলাম, হুইল চেয়ারে নয়। তখনও জানি না পিঠে ছুরি গেঁথে রয়েছে। ডাক্তররা নিজের চোখে বিশ্বাস করতে চাইছিলেন না যে আমি হাঁটছি ওই অবস্থাতেও। যাই হোক, একজন বিখ্যাত স্নায়ু বিশেষজ্ঞ সার্জন খবর পেয়েই ছুটে এলেন আমার অস্ত্রোপচারের জন্য। সাড়ে ৬ ঘন্টা ধরে চলেছিল সেই অস্ত্রোপচার! আমার ঘাড়ে ৩০টা সেলাই পড়েছে, পিঠে ২৫টা।”

 

দীর্ঘশ্বাস ফেলে সইফের জবাব, “মরেই যেতাম। কীভাবে বেঁচে আছি, হাঁটতে পারছি জানি না। এত কাছ থেকে ওই আততায়ী তো আমার বুকে, ঘাড়ে আরও একটু গভীরভাবে ছুরি গেঁথে দিলেই আমি আর বাঁচতাম না। এই যে হাঁটছি, এটাও তো ম্যাজিক। একটু এদিক ওদিক হলেই সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতাম। এখনও একভাবে টানা অনেক্ষন দাঁড়াতে পারি না। ব্যাথা করে পিঠ, কোমর, পা।" এরপরেই সেই চিরপরিচিত হাসি হেসে উঠে পতৌদির নবাব বলে ওঠেন – “তবে বেশি পাত্তা দিচ্ছি না। কারণ আমার বাবা একটা কথা বলতেন – ‘কোনও কিছুতেই বেশি চাপ নেওয়ার দরকার নেই!’ সেটা খুব মেনে চলি।”


নানান খবর

এবার রুপো বন্ধক রেখেও মিলবে ঋণ, জেনে নিন খুঁটিনাটি

কলকাতায় ম্যানহোল থেকে পচা গলা দেহ উদ্ধার! ঘটনা ঘিরে চরম চাঞ্চল্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী

নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির দাবিতে কমিশনকে ১৩ দফা চিঠি মহম্মদ সেলিমের

স্ত্রীর প্রসবের সময়ে এ কী কাণ্ড? হাসপাতালেই মামাকে পিটিয়ে মারল যুবক, হাড়হিম ঘটনা এই শহরে

ভারত জিতলে জেমাইমার গিটারের সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গান গাওয়ার আবদার জুড়লেন সানি

৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর ক্যাম্প তৃণমূলের, বিএলও-কে এক মিনিটও একা না ছাড়া যাবে না, ভার্চুয়াল বৈঠকে নির্দেশ অভিষেকের

ছিলেন ক্রিকেটার, অধিনায়ক ও সাংসদ, এবার মন্ত্রীও হয়ে গেলেন আজহার

গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল সেবনের ফল মারাত্মক, পরিবর্তনে হতে পারে শিশুর মস্তিষ্কের রসায়নের

পাহাড়ে প্রবল বৃষ্টি, দুধিয়ার হিউম পাইপ সেতুর নিচে ফুলে উঠছে বালাসন খোলা নদী, বাড়ছে বন্যার আশঙ্কা

‘‌কোচের একটা কথাই বদলে দিয়েছিল মানসিকতা’‌, অকপট হরমন

ধস নামালেন জস, মেয়েদের ইতিহাস গড়ার পরের দিনই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ল্যাজেগোবরে হল টিম ইন্ডিয়া

পাকিস্তানের পাশে চীন, সমস্যায় পড়তে পারে ভারত

ভারত–অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালে রেকর্ডের ছড়াছড়ি, জেমাইমাই গড়লেন একগুচ্ছ নজির 

হ্যালোইনের ভূতে কলকাতা কাঁপে! বিদেশি হুল্লোড় শিশুমনের আলো না আঁধার?

এখনও কাপ পাননি সূর্যরা, এরই মধ্যে আরও একটি এশিয়া কাপ চলে এল

ভারতের কাছে হারের পরেই অবসরের ইঙ্গিত অজি অধিনায়কের

যে মেয়েটা বিয়ে না করে ফুটবলার হতে চায়, তার চোখে সন্ধ্যাতারা হয়ে ফুটুন জেমাইমা

নিউরো সার্জারিতে নতুন দিশা, ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিতে লাগছে না কাটাছেঁড়া, বিনা অস্ত্রোপচারেই সারছে মস্তিষ্কের জটিল রোগ

২০০২ সালের ভোটার তালিকা খুঁজছেন? রাজ্যের সিইও দপ্তরের ওয়েবসাইট নিষ্ক্রিয়, তাহলে পাবেন কোথায়? রইল হদিশ

সপ্তাহান্তে ফের যানজটের আশঙ্কা, বন্ধ থাকছে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, নির্দেশিকা জারি কলকাতা পুলিশের

৬ কিমি বেগে হাঁটতে হবে, তার নীচে হলেই গুনতে হবে জরিমানা, অদ্ভূত নিয়ম চালু করল ইউরোপের এই দেশ

দুটি সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে তিনটি পৃথিবী, সামনে এল অবাক করা আবিষ্কার

শিশুদের জন্য কাজ করে শিশুদেরই পণবন্দি! রোহিতের বিপুল টাকা আটকে রেখেছিল সরকার? মুম্বই-কাণ্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

দূষণের গ্রাসে দিল্লি, সামনে এল নতুন ভাইরাসের কীর্তি

সোশ্যাল মিডিয়া